একজন অভিনেত্রী তার ভক্তদের একেকটা কমেন্টে কতটা কষ্ট পেলে অঝোরে চোখের পানি ঝরিয়ে এভাবে কান্না করতে পারেন, একবার ভেবে দেখেছেন? 💔
অথচ সোশ্যাল মিডিয়ার একদল মানুষ কিছুতেই মানতে চাইছে না, মাছরাঙা টেলিভিশনের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে আপলোড করা মেহজাবিন চৌধুরীর সেই ভিডিওটি একটি এআই জেনারেটেড ফেক ভিডিও!
কমেন্ট বক্সে মানুষের মন্তব্যগুলো দেখলে অবাক হতে হয়। কেউ বলছে, “AI কি হেলমেট পরতে জানে?” আবার কেউ বলছে, “এসব কাজ সত্যি সত্যিই করবে, ধরা খেলেই বলবে এটা এআই!”
মানে, কোনোভাবেই তারা মানতে রাজি নয় যে ভাইরাল হওয়া মেহজাবিন চৌধুরীর ভিডিওটি ভুয়া হতে পারে! ডিপফেক এআইয়ের যুগে একটা ফেক ভিডিও আর অরিজিনাল ভিডিওর মধ্যে পার্থক্য না বুঝেই একজন অভিনেত্রীকে এভাবে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হচ্ছে! মানুষ কতটা দায়িত্বজ্ঞানহীন হলে যাচাই না করেই অন্য একজনের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এমন নোংরা মন্তব্য করতে পারে, একবার ভাবুন তো!
নায়িকা পরীমণি মানসিকভাবে বেশ শক্ত একজন নারী। জীবনে এমন বহু অপবাদ ও সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। হয়তো এসব নিয়ে পরীমণি এখন আর তেমন মাথা ঘামান না। কিন্তু মেহজাবিন চৌধুরী বিষয়টি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না। বিশেষ করে, মানুষজনের এমন সব কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য যে তাকে কতটা আঘাত করেছে, তা তার কান্না দেখেই কিছুটা বোঝা যায়।
শেষ পর্যন্ত ফেক এআই ভিডিওর প্রতিবাদ জানিয়ে মেহজাবিনকে বলতে বাধ্য হতে হয়েছে, “কবে থেকে অন্য একজন মানুষের অপমান আর অসম্মান আমাদের উপার্জনের মাধ্যম হয়ে উঠল?”
কথাটা শুধু মেহজাবিনের নয়, আমাদের সবার ভেবে দেখা উচিত। একটা ভিডিও সত্যি নাকি মিথ্যা, তা যাচাই না করেই কাউকে নিয়ে নোংরামি শুরু করা এখন যেন খুবই স্বাভাবিক হয়ে গেছে! মনে রাখবেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা কমেন্ট লিখে আপনি হয়তো কয়েক সেকেন্ডেই ভুলে যাবেন। কিন্তু সেই কমেন্টটাই একজন মানুষের মনে কতটা গভীর ক্ষত তৈরি করতে পারে, সেটা কি কখনো ভেবে দেখেছেন? 🥹🙏
#mehazabienchowdhury #porimoni #maasrangatelevision #fakeaivideo #socialmediareality #stopcyberbullying #viralpost #trendingpost #AjminurWrites #TrendingNow
